Categories
রোগের লক্ষন ও প্রতিকার

গনোরিয়ার উপসর্গ ও প্রতিরোধ

গনোরিয়ার লক্ষণ ও উপসর্গগুলি কী কী?

যৌন সংসর্গে সক্রিয় যে কোনও ব্যক্তির গনোরিয়া সংক্রমণ হতে পারে।

যদিও পুরুষদের ক্ষেত্রে গনোরিয়ার কোনও রকম উপসর্গ নাও থাকতে পারে, তবু কিছু পুরুষের সংক্রমণের দুই থেকে পাঁচ দিন পরে লক্ষণ বা উপসর্গগুলি দেখা দিতে পারে। আবার উপসর্গ দেখা দিতে ৩০ দিনও লেগে যেতে পারে। উপসর্গ ও লক্ষণগুলির মধ্যে আছে পেচ্ছাব করার সময় জ্বালা বা পুরুষাঙ্গ থেকে সাদা, হলুদ অথবা সবুজ স্রাব নির্গত হওয়া। কোনও কোনও ক্ষেত্রে গনোরিয়া আক্রান্ত পুরুষদের অণ্ডকোষে ফোলা বা ব্যথা হতে পারে।

মহিলাদের মধ্যে গনোরিয়ার উপসর্গগুলি প্রায়ই তত প্রকট নয়। মহিলাদের প্রাথমিক উপসর্গ ও লক্ষণগুলির মধ্যে আছে পেচ্ছাব করার সময় ব্যথা বা জ্বালা, যোনির স্রাব বেড়ে যাওয়া বা দু’টি মাসিক ঋতুস্রাবের মধ্যবর্তী সময়ে রক্তক্ষরণ।

গর্ভবতী মহিলা ও তাঁর শিশুর ওপর গনোরিয়ার কী প্রতিক্রিয়া হয় ?

যদি একজন গর্ভবতী মহিলার গনোরিয়া থাকে, তবে প্রসবকালে জন্মনালীর ভেতর দিয়ে আসার সময় শিশুটি সংক্রামিত হতে পারে। এর ফলে শিশুটির অন্ধত্ব, সন্ধির সংক্রমণ বা জীবনঘাতী রক্তসংক্রমণ হতে পারে। ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা করালে গর্ভবতী মহিলাদের এই সব জটিলতার ঝুঁকি অনেক কমে যায়। যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনী চিকিৎসার জন্য গর্ভবতী মহিলাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গনোরিয়া কী ভাবে প্রতিরোধ করা যায় ?

যে কোনও সংক্রমণ প্রতিরোধের সবচেয়ে সুনিশ্চিত উপায় হল যৌনসংসর্গ এড়িয়ে যাওয়া অথবা পারস্পরিক বোঝা পড়ায় যৌনসংসর্গের জন্য একটিমাত্র সঙ্গী বেছে নেওয়া, যার কোনও যৌনসংক্রমণ নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *