Categories
Disease & Condition Exercise & Fitness First Aid Food & Nutrition Food List Health Advice List of vaccines Mother & Child Health Symptoms and cure of the disease খাদ্য ও পুষ্টি খাদ্য তালিকা টিকার তালিকা প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ মা ও শিশু স্বাস্থ্য রোগ ব্যাধি রোগের লক্ষন ও প্রতিকার স্বাস্থ্য পরামর্শ

অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ও ফোন নাম্বার।

Oxygencylinderbd
01714585817
Dhaka-1212
H#2, R#Madani Ave, Vatara

Nursinghomecarebd
01719661366
nursinghomecare2012@gmail.com
Gulshan-2
Dhaka, Vatara-40

Medical oxygen cylinder refill rent sell support in Bangladesh
880 1994-888999
House #3, Block #J, Dhaka 1212, Bangladesh

Medical Oxygen Cylinder Price BD
+880 1716-671752
Dhaka 1212, Bangladesh

Verbalbd
+88 01819-311676
120/A, R.S Bhaban (2nd Floor), Motijheel C/A, Dhaka-1000

Oxygen Concentrator Price in Bangladesh
+880 1819-311676
Verbal Maa House, Road 17, house-5, Block-C, Dhaka 1219, Bangladesh

Medical oxygen home service company in dhaka bangladesh
+880 1682-000000
shebaagencybd@gmail.com
Muktobangla Shoping Complex, Level:09-233, Dhaka 1216

Oxygen generator concentrator cylinder home support in Bangladesh
nursinghomesupportbd
info@nursinghomesupportbd.com
+880 1940-101080
+880195-999-5312
+880184-031-9980
213(Ground Floor), Tajlen Road, Middle Paikpara, Mirpur-1, Dhaka-1216

Spectra Oxygen Limited – Dhaka Depot
780, 27 Bosila Setu Road, Dhaka, Bangladesh
+880 1713-173634
https://sol.com.bd/
info@sol.com.bd

Medical Equipment – Oxygen Cylinder Refill Rent Sell Supports in Dhaka Bangladesh. Nursing Home Care
+880 1714-585817
Dhaka 1212, Bangladesh

Oxygen Cylinder BD
+880 1718-018733
+8801911290527
nursingcareservicebd@gmail.com
House no: 12, Block: A, Flat: 2D, Ave No: 1, Section: 10, Dhaka 1216, Bangladesh
www.oxygencylinderhomedelivery.com
House no: 12, Block: A, Flat: 2D, Avenue: 1, Section: 10, Mirpur, Dhaka-1216, Bangladesh

OXYGEN CYLINDER HOME SERVICE
20 Nayabari, Sajid Plaza, Vatara, Natun Bazar-12, Dhaka, Bangladesh
880 1716-089838

Timely Product Ltd
235 Satarkul Rd, Dhaka 1212, Bangladesh
+880 1712-444336
https://timelyproduct.com/
support@timelyproduct.com

Oxygen Bd EBL
+880 1613-203103
Dhaka 1216, Bangladesh

Islam Oxygen (Pvt) Ltd
+880 1313-204420
Tarabo, Rupgonj, Bangladesh
info@islamoxygen.com; islamoxygen@gmail.com; islamoxygensales@gmail.com
https://islamoxygen.com/

Oxygen Cylinder BD
+880 1714-558407
GULSHAN-2, NOTUN BAZAR, VATARA Dhaka, 1212, Bangladesh
info@oxygencylinder.live

Maisha Oxygen Cylinder Supplier
+880 1707-372001
11, parbati nagar, Thana Rd, Savar Union 1340, Bangladesh
https://maishacare.com/
info@maishacare.com
+8801315092095

24 Oxygen Home Support In Dhaka
+880 1716-671752
Mirpur ,1 Muktha Bangla Shopping Complex, Dhaka 1216, Bangladesh

Oxygen Sale BD
House No: 12, Road No: 6, Turag City, Mirpur: 1 Dhaka, 1216, Bangladesh
+880 1766-149264
https://oxygensalebd.com/
info@oxygensalebd.com

Union Oxygen Limited
Motijheel C/A, Suite# D-3, Nahar Mansion (3rd Floor), Dhaka, 1000, Bangladesh
+880 1617-727102
https://uolbd.business.site

M/S HALIMA ENTERPRISE
+880 1718-054477

Shema Oxygen Oxico Ltd.
Dhaka – Chittagong Hwy, Bhatiari, Bangladesh
+880 3127-80177

Kabir Oxygen Limited
Bhatiari, Bangladesh
+880 31-711501

Bismillah Enterprise
125 Katalgong, Chattogram, Bangladesh
+880 1856-859670

Linde Bangladesh Ltd.
285 Tejgaon Industrial Area Dhaka – 1208 Bangladesh
+880.2.8870322-27
Phone: 08 000 303 303 (toll free)
care.line.bd@linde.com
http://www.linde.com.bd/

M/S Padma Trading
Kuwaish Sonjog Sarak, Ward No. 3, Nayar Hat, Oxygen, Baksu Nagar, Bayezid, Chattogram 4213, Bangladesh
+880 1812-948747

Jaya Bijaya Engineering
348 Commerce College Road, Chattogram, Bangladesh
+880 1817-707178

Chottogram Device Center-CDC
1715, Jakir Hussain Road, Khulshi, Chattogram 4200, Bangladesh
+880 1912-760350

Taj Traders Pvt. Ltd
389 Nabab Siraj Ud Daula Rd, Chattogram, Bangladesh
+880 1711-802930
01844 071861
ttpl.tajscientific@gmail.com
http://www.tajscientific.com/

M/s. Jalalabad Tredars
+880 1711-982619
BOC Company Gate, Hazi Wazed Ali Lane, Adjacent Oxygen, Hathazari Road, Oxyzen, Chattogram 4213, Bangladesh

Medical Tools
Rd No. 1, Chattogram, Bangladesh
+880 1979-311707
info@medicaltoolsbd.com
medicaltoolsbd.com/public/

Dwip pharmecy
+880 1815-918028
Chattogram, Bangladesh

Islam Oxygen (Pvt.) Ltd. Chattogram Depot.
+880 1755-588096
Abdul Karim Rd, Chattogram 4213, Bangladesh

Oxygen supplier Sylhet
+880 1682-000000
https://oxygenbd.com/
3100, Bangladesh
8801795228222
shebaagencybd@gmail.com

Sylhet Oxygen Center
Bypass Road, Sylhet, Bangladesh
+880 1641-791929

M/s. Tems Corporation
Bypass Road, Homayun Roshid Chottor, Mominkhola, Sylhet 3100, Bangladesh
+880 1612-388585

Categories
খাদ্য ও পুষ্টি ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য পরামর্শ

রোজায় কী খেলে সুস্থ থাকবেন

রমজান মাসে টানা ১৪-১৫ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হয়। এ সময় দিনের বেলা আমাদের শরীর যকৃৎ ও পেশিতে জমানো শর্করা ও ফ্যাট থেকে শক্তি লাভ করে। শরীরে পানি জমা থাকে না। ঘাম ও প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায়, পানিশূন্যতা হয় বলে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা দেখা দেয়। কাজে মনোযোগ দেওয়া যায় না। এ ছাড়া অ্যাসিডিটি, গ্লুকোজ কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয় রোজার মাসে।

ইফতারে আমরা অনেক বেশি খেয়ে ফেলি, ভাজা-পোড়া খাবারই বেশি থাকে। এ জন্য পেট ফাঁপা, বুক-গলা জ্বলা, বমি বমি ভাব হয়। পাকস্থলী ফাঁকা থাকার পর শুরুতেই অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার, তৈলাক্ত ও লবণাক্ত খাবার খেলে অ্যাসিডিটি তো বাড়বেই, সঙ্গে পানির তৃষ্ণা এবং খিদে বাড়িয়ে দেয়। ইফতারের পর থেকে সাহ্রি পর্যন্ত তাই উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার, ফল, সবজি, বাদাম এবং পানিকে প্রাধান্য দিতে হবে।

ইফতার
ইফতারে এমন খাবার রাখবেন, যাতে প্রাকৃতিক চিনির জোগান থাকে এবং যা দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।
পানীয়: পানি, ফলের শরবত, স্মুথি, দুধ—এগুলো পানীয়ের অন্তর্ভুক্ত। দুধ ও ফল দিয়ে বানানো ড্রিংকস যেমন ব্যানানা শেক, ম্যাঙ্গো শেক প্রাকৃতিকভাবে সুগার ও ক্যালরির ভালো উৎস। অতিরিক্ত চিনি দেওয়া শরবত বা কৃত্রিম ফলের জুস খাওয়া যাবে না। ঘরে তৈরি ফ্রেশ ফলের জুস নিন।
খেজুর: খেজুর শর্করা ও খনিজ যেমন পটাশিয়াম, কপার, ম্যাঙ্গানিজ এবং আঁশের অনেক ভালো উৎস। ইফতারে তাই দুটি করে খেজুর রাখুন।
ফল: ইফতারে ফল ডিহাইড্রেশন দূর করে। বিশেষ করে পানিজাতীয় ফল যেমন তরমুজ, আনারস, বাঙ্গি, কমলা, মাল্টা, নাশপাতি খান।
স্যুপ: সবজি ও চিকেন দিয়ে তৈরি স্যুপ রাখা ভালো। মাঝেমধ্যে ছোলা, পিঁয়াজু ও বেগুনির বদলে আমরা স্যুপ রাখতে পারি।
দই: দইয়ে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন ও ভিটামিন ডি থাকে, সহজে খাবার হজম করে। ইফতারে তাই দই, চিড়া-মুড়ি মাখানো
খেতে পারেন। সাহ্রিতে খাওয়ার পরও দই খেতে পারেন।
কাঁচা ছোলা: রান্না ছোলার থেকে কাঁচা ছোলায় পুষ্টিগুণ বেশি। রান্না করলে যে তেল মসলা খাওয়া হতো, সেটা থেকেও বাঁচা যায়। ছোলায় ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস ও উচ্চ প্রোটিন রয়েছে। শরীরে শক্তির জোগান দিতে এর কোনো বিকল্প নেই।

রাতের খাবার
ইফতারের পর রাতে হালকা খাবার খাওয়াই উত্তম। রাতে লাল আটার রুটি, পাস্তা, ভাত অল্প পরিমাণে খাবেন।
প্রোটিনের উৎস হিসেবে বিনস, ডাল ও আঁশের চাহিদা পূরণের জন্য সালাদ থাকতে পারে।

সাহরি
সাহরিতে শস্যযুক্ত খাবার রাখতে হবে। যেসব খাবার ধীরে ধীরে হজম হবে ও সারা দিন এনার্জি দেবে। যেমন:
ওটস/কর্নফ্লেক্স: পানি, দুধ বা দই দিয়ে খাওয়া যায়, সঙ্গে ফল, বাদাম।
সবজি ও সালাদ: সাহ্রিতে খাবারের সঙ্গে ভিটামিন, মিনারেলস ও পানীয়ের উৎস হিসেবে সালাদ ও সবজি থাকবে।
মনে রাখবেন, সাহরি আজানের আধা ঘণ্টা আগে শেষ করবেন। সাহরি শেষে তাড়াহুড়া করে বেশি পানি পান করবেন না। ভাজা-পোড়া, তৈলাক্ত ও মিষ্টিজাতীয় খাবার বর্জন করুন। বিশেষ করে সাহরিতে মিষ্টি খাবেন না, এতে তৃপ্তি হরমোন লেপটিন কমে যায়, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়। চা, কফি পানিশূন্যতা বাড়ায়। খেজুর ও সাধারণ পানি দিয়ে রোজা ভাঙা উচিত।

Categories
Featured খাদ্য ও পুষ্টি ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য পরামর্শ

রোজায় সঠিক খাদ্যাভ্যাস

আমাদের দেশে রমজান মাস এলেই খাওয়াদাওয়ার ধুম পড়ে যায়। মানুষ অস্থির হয়ে পড়ে কী খাবে, কী খাবে না। স্বল্প ভোজনের বদলে চলে অতিভোজনের আয়োজন। অন্য সময়ের চেয়ে তৈলাক্ত, ভাজাপোড়া খাবার প্রবণতা বাড়ে যা অস্বাস্থ্যকর।

ইফতারে যা খাবেন

♦ রমজানে অনেক মুখরোচক খাবার বানিয়ে বিক্রি করা হয়। এসব খাবার স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি করা হচ্ছে কি না কিংবা ভেজাল তেল, বেসন ও কৃত্রিম রং মেশানো হয়েছে কি না, সে দিকে নজর দেওয়া উচিত। তাই পারতপক্ষে দোকানের তৈরি ইফতারি ও সাহরি না খাওয়াই ভালো।

♦ যে তেলে খাবার ভাজা হয়, সেই তেল একবারের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ একই তেল বারবার আগুনে ফুটালে তা থেকে পলি নিউক্লিয়ার হাইড্রোকার্বন তৈরি হয়। যার মধ্যে বেনজা পাইরিন নামের ক্যান্সার হতে পারে এমন পদার্থের মাত্রা বেশি থাকে। তা ছাড়া অপরিষ্কারভাবে ইফতারি তৈরি করলে পেটের পীড়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সুস্থভাবে বাঁচার জন্য খোলা খাবার না খাওয়াই উচিত। এটা স্বাস্থ্যসম্মতও নয়।

♦ খুব কম ফলই পাওয়া যাবে, যা ভেজালমুক্ত। তা ছাড়া শরবতের পানীয় বিশুদ্ধ কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।

♦ ইফতারের জন্য তৈরি প্রায় সব খাবার তেলও উচ্চ চর্বিযুক্ত। সাধারণত বেশি মুনাফার আশায় এসব খাবার মানসম্মত তেলে এবং সঠিক নিয়মে ভাজা হয় না, তাই স্বাস্থ্যসম্মত নয়।

♦ সুস্থ রোজাদারের জন্য ইফতারে খেজুর, ঘরের তৈরি বিশুদ্ধ শরবত, কচি শসা, পিঁয়াজু, বুট, ফরমালিন অথবা ক্যালসিয়াম কার্বাইডমুক্ত মৌসুমি ফল থাকা ভালো। কারণ ফলে ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়। ফল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়, সহজে হজম হয়।

♦ বাসায় রান্না করা নুডলস খেতে পারেন।

♦ বেশি ভাজা-ভুনা, তেহারি, হালিম না খাওয়াই ভালো। কারণ এতে বদহজম হতে পারে।

♦ রুচি পরিবর্তনের জন্য দু-একটি জিলাপি খেতে পারেন।

♦ এখন প্রচণ্ড গরমকাল বলে পরিমাণমতো বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত।

♦ এশা ও তারাবির নামাজের পর অভ্যাস অনুযায়ী পরিমাণমতো ভাত, মাছ অথবা মুরগির মাংস, ডাল ও সবজি খাবেন।

 

সাহরিতে যা খাবেন

♦ শরীর সুস্থ রাখার জন্য সাহরি খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

♦ সাহরির খাবার মুখরোচক, সহজপাচ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া প্রয়োজন। বেশি তেল, বেশি ঝাল, বেশি চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।

♦ ভাতের সঙ্গে মিশ্র সবজি, মাছ অথবা মাংস অথবা ডিম, ডাল থাকা প্রয়োজনীয়।

♦ পাকস্থলীতে বেশি উত্তেজনা কিংবা অস্বস্তি সৃষ্টি করে এমন খাবার খাওয়া ঠিক নয়। কারণ গুরুপাক খাবার খেলে শরীরের বিপাকক্রিয়া বেড়ে যায়।

♦ বেশি চর্বিজাতীয় খাবার খেলে রোজাকালীন শরীর অসুস্থ লাগতে পারে, ক্লান্তি কিংবা ঘুম আসতে পারে।

♦ রমজান মাস ওজন কমানোর জন্য সুবর্ণ সুযোগ মেদবহুল মোটা মানুষের জন্য। রমজান মাসের রোজাগুলো রেখে এই সুযোগ অবশ্যই গ্রহণ করা উচিত।

♦ যাঁরা ধূমপানে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য রমজানই ধূমপান ছাড়ার উপযুক্ত সময়।

Categories
ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য পরামর্শ

স্থূলতা যখন কিডনি রোগের কারণ

কিডনি রোগের মূল কারণ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ। তবে ধীরগতির কিডনি রোগের অন্যতম কারণ স্থূলতা। স্থূলতা ও কিডনি রোগ বর্তমানে পৃথিবীতে সুপ্ত মহামারির আকার ধারণ করেছে।

যেভাবে ক্ষতি করে
দেহে চর্বি জমা হয়ে মুটিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ অধিক খাদ্য গ্রহণ। এ ছাড়া বংশগত কারণ, কর্ম সম্পাদনে ধীরগতি, নানা হরমোন, ওষুধের প্রভাব ইত্যাদি এর জন্য দায়ী। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে হজমের পর কিছুটা চর্বিতে রূপান্তর হয়ে দেহে জমা হয়। এই অতিরিক্ত চর্বির কারণে স্থ্থূলতা তৈরি হয়, ওজন বৃদ্ধি পায়। তখন কিডনির ছাঁকনিকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। এতে ধীরে ধীরে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যায়। একসময় দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে যেতে পারে।

শুধু কিডনি রোগ নয়, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি, ঘুমানোর সময় শ্বাসকষ্ট, লিভারে চর্বি বা ফ্যাটি লিভার, পিত্তথলির রোগ, হাড়ের রোগ, মানসিক রোগ, ক্যান্সার, বন্ধ্যাত্ব এবং সর্বোপরি জীবনযাত্রার মানে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটায় এই স্থূলতা।

ফলে পরোক্ষভাবে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট ও কিডনির রোগ সৃষ্টি করে। স্থূল রোগীর ক্ষেত্রে আকস্মিক বা হঠাৎ কিডনি অকেজো হওয়া প্রায়ই দেখা যায়।

করণীয়
দেহের স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ করে কিডনির কার্যক্ষমতা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন ব্যাপক সচেতনতা। স্থূলতাজনিত কিডনি রোগ থেকে মুক্ত থাকতে বা কিডনি সুস্থ রাখতে কিছু করণীয় হলো :

❏সব সময় সুস্থ, সবল, কর্মচঞ্চল থাকার চেষ্টা করা। মুটিয়ে যাওয়া থেকে সাবধানতা অবলম্বন করা।

❏কায়িক শ্রম, ব্যায়াম করে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা।

❏উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা।

❏টাটকা শাকসবজি, ফলমূল ও সুষম খাবার খাওয়া।

❏ফাস্ট ফুড ও কোমল পানীয় পরিহার।

❏দৈনিক দেড় থেকে দুই লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করা।

❏তামাক, সিগারেট ও মদজাতীয় পানীয় বর্জন।

❏চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক, হারবাল ও গতানুগতিক স্থানীয় ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকা।

❏কারো উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও স্থূলতা অথবা বংশগত কিডনি রোগ থাকলে সচেতন থাকা।

Categories
খাদ্য ও পুষ্টি ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ

কোলেস্টেরল আর হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় ডিম!

ডিম পছন্দ করেন এমন লোকদের কাছে খবরটি মোটেও সুখের নয়। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়েটারি কোলেস্টেরলের একটি বড় উৎস ডিম। ফলে এটি হৃদরোগ এবং অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়।

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা গত তিন দশক ধরে ৩০ হাজার মার্কিন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর সমীক্ষা চালিয়ে এ সিদ্ধান্ত পৌঁছেছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে মাত্র তিন থেকে চারটি ডিম খেলে হৃদরোগের উচ্চ মাত্রার ঝুঁকি বাড়ে ছয় শতাংশ এবং মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে চার শতাংশ।

গবেষকরা বলেছেন, বার্তাটি আসলে কলেস্টেরলের সঙ্গে সম্পর্কিত। আর ডিমে রয়েছে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরল বিশেষ করে ডিমের কুসুমে। স্বাস্থ্যকর খাবারের অংশ হিসেবে সবাইকে কম পরিমাণ কোলেস্টেরল গ্রহণ করতে হবে। যারা কম কোলেস্টেরল গ্রহণ করে তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি কম।

ডিম বিষয়ে এ ধরনের বার্তা এই প্রথম নয়। এর আগে চলতি বছরের শুরুর দিকে পুষ্টি, কৃষি এবং পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের একটি দল ডিম খাওয়ার পরিমাণ সপ্তাহে চারটিরও কমের ভেতর সীমাবদ্ধ রাখার সুপারিশ করেছিল। পরিবর্তে তাঁরা শস্য, বাদাম এবং ফল খাওয়ার কথা বলেছিলেন।

Categories
ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য পরামর্শ

জেনে নিন সকালে হাঁটার স্বাস্থ্য সুবিধা

নিয়মিত হাঁটলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে যাবে অর্ধেক। এটি করোনারি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

হাঁটা হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুসের শক্তি বৃদ্ধি করে। এটি যে কেবল দীর্ঘসময় ধরে কঠিন ব্যায়ামের সক্ষমতা তৈরি করবে তা নয়, আপনার দৈনন্দিন কাজও ক্লান্তিহীনভাবে সম্পাদনে সাহায্য করবে। এটি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।

নিয়মিত হাঁটলে উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস পায়। এতে রক্ত সঞ্চালনের উন্নতির ঘটিয়ে হৃদযন্ত্রের কাজের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এ ছাড়া নিয়মিত হাঁটলে রক্তে ‘ভালো’ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে। ফলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা হ্রাস পায়।

সকালে হাঁটতে বের হয়ে আপনি যে অক্সিজেন পান তা আপনাকে প্রচুর পরিমাণে শক্তি দেয় বিশেষ করে আপনার অস্থির সংযোগগুলোতে।

যখন আপনি ফিট এবং স্বাস্থ্যবান থাকবেন, আপনার আত্মবিশ্বাসও বাড়বে। মনে রাখবেন, হাঁটার পেছনে সময় ব্যয় করা মানে দৈনন্দিন জীবনের চাপের পেছনে সময় না দেওয়া। নিয়মিত হাঁটা আপনার মাংস পেশির উন্নয়ন ঘটাবে। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং এনডোরফিন নামক বিশেষ হরমোন নিঃসরণের গতি বৃদ্ধি করে। ফলে শরীর ও মন থাকে ফুরফুরে।

সপ্তাহে গড়ে চার দিন ৪৫ মিনিট করে হাঁটুন। এতে বছরে আপনার গড়ে ৮-১০ কেজি ওজন কমবে যা খাবার পরিবর্তনে হবে না। হাঁটা আপনার শরীরের চর্বি কমাতে সাহায্য করবে আর পেশিকে রাখবে টান টান।

Categories
ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য পরামর্শ

অন্তঃসত্ত্বা নারীর ব্যায়াম

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বেশি নড়াচড়া করা বা ব্যায়াম করা, হাঁটাহাঁটি করা বারণ—এমন ধারণা অনেকেরই রয়েছে। কিন্তু এই ধারণা পাল্টেছে। বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নানা ধরনের ব্যায়ামকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। বিদেশে এ সময় মেয়েরা ব্যায়ামাগারে গিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম চর্চা করেন।

গর্ভকালীন ব্যায়ামের উপকারিতা কী? নিয়মিত ব্যায়ামে পেশিশক্তি বৃদ্ধি পায়, হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ে। গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। পায়ে রগ টানা, কোমর ব্যথা, পা ফোলার মতো সমস্যা কম দেখা দেয়। গর্ভকালীন কোষ্ঠকাঠিন্য একটা খুব পরিচিত সমস্যা। নিয়মিত ব্যায়ামে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব। যাঁরা স্বাভাবিক প্রসব বা নরমাল ডেলিভারি আশা করছেন, তাঁদের জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই। এতে শক্তি বাড়ে, মানসিক চাপও কমে। সব মিলিয়ে স্বাভাবিক প্রসব ত্বরান্বিত হয়।

এখন জেনে নিন কী ধরনের ব্যায়াম নিরাপদ ও উপকারী। সাঁতার, হাঁটা, স্টেশনারি সাইক্লিং, ইয়োগা ইত্যাদি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য চমৎকার, নিরাপদ ও সহজ ব্যায়াম হিসেবে বিবেচ্য। তবে একজন বিশেষজ্ঞের অধীনে ব্যায়াম করা ভালো। তার আগে জেনে নেওয়া চাই কোনো কারণে ব্যায়ামে বিধিনিষেধ আছে কি না।

প্রথম তিন মাস থেকে শেষ পর্যন্ত দুটো গুরুত্বপূর্ণ ব্যায়াম নিয়মিত চর্চা করা ভালো। এগুলো হলো স্কোয়াটিং আর পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ।

স্কোয়াটিং: প্রথমে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে তারপর হাঁটু ভাঁজ করে ধীরে ধীরে বসার ভঙ্গি করুন। পুরোপুরি বসবেন না, আধা বসা অবস্থায় থাকবেন। এই ব্যায়ামটি দিনে দুইবার, প্রতি সময়ে ১০ বার করে করবেন। যদি কষ্ট হয় তবে প্রথমে একবার করে শুরু করুন।

পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ: এই ব্যায়ামে গর্ভপাতের ঝুঁকি কমে। প্রসবের পর জরায়ুর পেশির স্থিতিস্থাপকতা রক্ষা হয়, জরায়ু নিচে নেমে আসে না। পেলভিক মাংসপেশিগুলো শক্ত বা টানটান করে ১০ সেকেন্ড ধরে রাখতে হবে। যেভাবে আমরা শক্তভাবে প্রস্রাব আটকে রাখি সেই ভঙ্গিতে। এই ব্যায়ামটি দিনে দুবার করতে হবে, প্রতি পর্বে তিন–চারবার করে করবেন।

Categories
ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য পরামর্শ

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ব্যায়াম

শরীরে ডায়াবেটিস বা কোলেস্টেরল খুব নিঃশব্দে জায়গা করে নেয়। কখন যে এটি আপনার শরীরে স্থান করে নেবে, তা টেরই পাওয়া যাবে না। প্রধানত বিপাকের সমস্যা থেকে এটির উদ্ভব। শরীরচর্চার মাধ্যমে এটিকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

মনে রাখতে হবে ডায়াবেটিস হওয়ার কোনো বয়স নেই। যেকোনো বয়সে এটি হতে পারে। সাধারণত অল্প বয়সে টাইপ-১ ডায়াবেটিস হয়। আর বেশি বয়সে টাইপ-২। খুব স্বাভাবিকভাবে টাইপ ১-এর তুলনায় টাইপ-২ ডায়াবেটিস কঠিন। ব্যায়ামটাও টাইপ টুর জন্য বেশিই করতে হবে।

ডায়াবেটিস আর কোলেস্টেরল দমিয়ে রাখতে করতে হবে যেসব ব্যায়াম—

টাইপ-১ ডায়াবেটিসের জন্য যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য সহজ ব্যায়াম হলো প্রথম সপ্তাহে এক মিনিট হাঁটা আর ৩০ সেকেন্ড জগিং। এ পদ্ধতিকে বলে বিরতিমূলক কার্ডিও। তৃতীয় সপ্তাহে অনুশীলনের পরিমাণ বাড়িয়ে এক মিনিট হাঁটা আর সমান সময় জগিং করতে হবে। ষষ্ঠ সপ্তাহে প্রথম সপ্তাহের ঠিক উল্টো করতে হবে। ৩০ সেকেন্ড হাঁটা আর এক মিনিট জগিং। পর্যায়ক্রমে এটি বাড়িয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। এভাবে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন অনুশীলন করতে হবে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসে যাঁরা ভুগছেন তাঁদের কিছুদিন বিরতিমূলক কার্ডিও করে শরীরকে ব্যায়ামের জন্য তৈরি করে নিতে হবে। এভাবে দুই থেকে তিন সপ্তাহ করার পর আসল ব্যায়ামের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। কোনো কিছু দিয়ে ২০ মিটার দূরত্ব চিহ্নিত করতে হবে। এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত দৌড়ে যেতে হবে। আসার সময় হালকা জগিং করে ফিরতে পারলে ভালো, না হলেও হেঁটে আগের জায়গায় চলে আসুন। এভাবে টানা দুই মিনিট অনুশীলন করার পর তিন মিনিট বিশ্রামে থাকতে হবে। এভাবে দিনে ছয় থেকে আটবার করতে হবে। এক মাস এটি করার পর অনুশীলনটি আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে যাবে। আর তখনই দুই প্রান্তে দ্রুত দৌড়ে আসা-যাওয়া করতে হবে।

গবলেট স্কোয়াট

একটি ডাম্বেল দুই হাত আঁকড়ে বুকের কাছে ধরতে হবে। এবার ধীরে ধীরে স্কোয়াট করতে হবে। ধীরে ধীরে বসতে হবে, যেন হাঁটুতে ৯০ ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়। খেয়াল রাখতে হবে বসা ও ওঠার সময় যেন পিঠ টানটান থাকে। এভাবে ১২ থেকে ১৪ বার অনুশীলন করতে হবে।

হরাইজন্টাল পুল আপ

এ জন্য একটা লোহার রডের প্রয়োজন হবে। কাঁধের প্রস্থের তুলনায় দুই হাতের মাঝে বেশি ফাঁকা রেখে দুই হাতে রডটি ধরতে হবে।

Categories
ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য পরামর্শ

বুড়োদের মস্তিষ্কও সচল রাখে ব্যায়াম

নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, বৃদ্ধদের মধ্যে শরীর ও মস্তিষ্কের ফিটনেসের মধ্যকার সম্পর্ক পরিবর্তিত হয়। এই সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে ব্যায়াম বিশেষ ভূমিকা রাখে।

বুধবার জার্নাল অব অ্যাপ্লাইড ফিজিওলজিতে গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়।

এতে বলা হয়, কার্ডিও-রেসপিরেটরি ফিটনেস হলো ব্যায়ামের সময় পেশিতে কী পরিমাণ এবং কতটা ভালোভাবে অক্সিজেন সরবরাহ হয় তার পরিমাপ। এ ছাড়া, মানুষের শেষ জীবনে ফিটনেস স্তর মস্তিষ্কের নার্ভ-টিস্যুতে পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত যা গ্রে ম্যাটার এবং উন্নত জ্ঞানীয় ফাংশন নামে পরিচিত।

এর আগে গবেষণায় দেখা যায়, শেষ জীবনে বিশ্রামের সময় মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে তার ওপর কার্ডিও-রেসপিরেটরি ফিটনেস সম্পর্কিত। বিশ্রামের সময় বয়সের সাথে সাথে মস্তিষ্কে নার্ভ-কানেকটিভিটিও পরিবর্তিত হয়। এই পরিবর্তন নেতিবাচকভাবে জ্ঞানীয় ফাংশনকে প্রভাবিত করতে পারে।

গবেষকরা লিখেছেন, ‘আমাদের গবেষণার ফল  (কার্ডিও রেসপিরেটরি ফিটনেস) যা যৌনতা-নির্ভর আচরণে মস্তিষ্কের ফাংশনের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি শেষ বয়সে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ও ব্যায়ামের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যৌনতার বিষয়টিও গুরুত্ব দেয়।

Categories
প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য পরামর্শ

টানা কাজের বিরতিতে ঘাড়ের সহজ ব্যায়াম

আমাদের অনেককেই দীর্ঘ সময় ধরে টেবিলে বা ডেস্কে মাথা গুঁজে কাজ করতে হয়। পড়াশোনা, লেখালেখি বা কম্পিউটারে কাজ করতে হয়। কেউ কেউ অনেকক্ষণ ধরে সেলাই করেন। এসব কাজ করলে ঘাড়ের পেশিতে ব্যথা করে, শক্ত ও টান টান লাগে। মাসল স্পাজম বা পেশিতে চাপ পড়া ছাড়া তাদের ঘাড়ের মেরুদণ্ডের হাড়ের মাঝখানের নরম জেলির মতো অংশ বের হয়ে আসতে পারে, মেরুদণ্ডের ফাঁক দিয়ে বের হওয়া নার্ভ বা স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে ঘাড়ব্যথা ছাড়াও বাহু, হাত ও আঙুল পর্যন্ত টন টন বা ঝিন ঝিন করা, অবশ হয়ে আসা দেখা দিতে পারে। সে জন্য যাঁরা ঘাড় গুঁজে কাজ করেন, তাঁরা সহজ কিছু নিয়মকানুন পালন করে ও খুবই হালকা কিছু ব্যায়াম করার মাধ্যমে এ ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

ব্যায়ামটি খুবই সহজ

একটি চেয়ারে মেরুদণ্ড সোজা করে বসুন। সামনে দেয়ালের দিকে তাকান। ঘাড় কিন্তু নড়াচড়া করবেন না। এবার ডান হাতের তালু কপালে রাখুন। কপাল দিয়ে হাতের ওপর জোরে চাপ দিতে থাকুন। ঘাড় নড়বে না। চাপ দিয়ে ১০ সেকেন্ড এভাবে রাখুন।

এবার একই ব্যায়াম কপালের বদলে মাথার পেছনে, দুই পাশে ও থুতনিতে হাত দিয়ে চাপ দিয়ে করুন। প্রতিটি ব্যায়াম প্রতিদিন ১০ বার করে করুন।

কী করবেন, করবেন না

■ একটানা অনেকক্ষণ ঘাড় গুঁজে টেবিলে কাজ করবেন না। মাঝেমধ্যে বিরতি নিন।

■ কাজের টেবিলের উচ্চতা নিজের উচ্চতার সঙ্গে সমন্বয় করে নিন।

■ শোবার সময় বালিশটা যেন ঘাড়ের নিচে থাকে, ঘাড় বেঁকে না থাকে।

■ নিয়মিত ওপরের ব্যায়ামটা করুন।